হা‌ছিনা ম‌হিউ‌দ্দিন‌কে মঞ্চ থে‌কে না‌মি‌য়ে দেয়ার ঘটনা: যা ব‌ল্লেন মেয়র না‌ছির

হা‌ছিনা ম‌হিউ‌দ্দিন‌কে মঞ্চ থে‌কে না‌মি‌য়ে দেয়ার ঘটনা: যা ব‌ল্লেন মেয়র না‌ছির

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০১৯-১০-২৯: ০৩:০৫ পিএম

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন গতকাল সোমবার দিবাগত রাত একটায় একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। এতে তিনি তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করে একটি অনলাইন পোর্টালের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।

আওয়ামী লীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভার মঞ্চ থেকে চট্টগ্রামের সা‌বেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ও নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিনকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনায় চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গত রোববার চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিনিধি সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ ও ছয়টি সাংগঠনিক জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি সভার মঞ্চ থেকে নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিনকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রয়াত মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হন। তাঁরা ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রাম নগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মেয়র নাছির উদ্দীন গতকাল রাতে একটি ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেন।

ভিডিও বার্তায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন একটি অনলাইন পোর্টালকে দায়ী করে বলেন, ‘জিরোকে ১০০ বানানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে। যারা করেছে, কেন করেছে, কী কারণে করেছে জানি না। 
আমি মনে করি গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা স্বাভাবিক বিষয়। একটি অনলাইন পোর্টালে অহেতুক সংবাদটা পরিবেশন করা হয়েছে। তা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয়।’ তিনি বলেন, ঘড়ির কাঁটা সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল দেড়টার মধ্যে সভা শেষ করা। সে জায়গায় কেন্দ্রের আরও কিছু নেতা যুক্ত হওয়ার কারণে বক্তব্য শেষ হয়েছে ২টা ২০ মিনিটে।

ভিডিও বার্তায় মেয়র নাছির বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে বলা হলো মঞ্চে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রী, সাংসদ এবং জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা বসবেন। তিন জেলার পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রকে জানাই। কেন্দ্র তা অনুমোদন করে। আসন থাকা সাপেক্ষে জেলার যুগ্ম সম্পাদকেরা মঞ্চে বসবেন। মঞ্চ ও খাবার নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা আলাদা দায়িত্ব দেওয়া হয়। নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকেরাও দায়িত্ব পালন করেছেন।’


সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল