স্কুল নয়, কোয়ারেন্টাইনের জন্য বেছে নেওয়া হলো দুই হোটেল

স্কুল নয়, কোয়ারেন্টাইনের জন্য বেছে নেওয়া হলো দুই হোটেল

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০২০-০৩-১৬: ০৬:৩৩ পিএম

সন্দেহভাজন রোগীদের কোয়ারেন্টাইনে রাখান জন্য নগরের দুটি স্কুলকে নির্দিষ্ট করা হলেও এবার সিদ্ধান্ত পাল্টে স্কুলের পরিবর্তে নগরের দুটি আবাসিক হোটেলকে বেছে নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। 

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বী মিয়া।

সিভিলি সার্জন বলেন, ‘এর আগে কোয়ারেন্টাইনের জন্য দুটি স্কুলকে প্রস্তুক করার কথা বলা হয়েছিলো। স্কুল দুটি হলো- দক্ষিণ কাট্টলীর পি এইচ আমিন একাডেমি এবং চান্দগাঁওয়ের সিডিএ পাবলিক গার্লস স্কুল। কিন্তু বিদ্যালয়ে ভোট সেন্টারের সম্ভাবনা থাকায় এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন আমরা নগরের দুটি হোটেলকে কোয়ারেন্টাইনের জন্য ব্যবহারের চিন্তা ভাবনা করছি। হোটেল দুটি হলো- স্টেশন রোডের মোটেল সৈকত ও চকবাজার এলাকার স্টার পার্ক।’

কারোনাভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে বন্দরনগর ও চট্টগ্রাম জেলা এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ বেশি ঝুঁকিতে জানিয়ে সিভিল সার্জন বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম জেলা এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছে। কারণ আমাদের দুটি বন্দর, একটি বিমানবন্দর ও অপরটি সমুদ্র বন্দর। দু’টি বন্দর দিয়েই সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এন্ট্রি পয়েন্টেই যদি সংক্রমণকারীকে ঠেকিয়ে দেয়া না যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।’ 

সিভিল সার্জন তিনি বলেন, ‘আমাদের শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রবন্দরে হ্যান্ড থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে। করোনাদুর্গত এলাকার মধ্যে ইতালি থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসীরা ফিরছেন। সাধারণত একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর উপসর্গ দেখা দিতে ২ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। তাই বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ে করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি বেরিয়েও যেতে পারে। এ সব কারণে আমরা বিমানবন্দর থেকে প্রতি মুহূর্তে আপডেট তথ্য নিচ্ছি এবং প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’

ফজলে রাব্বী মিয়া, ‘এছাড়া করোনাদুর্গত এলাকা থেকে আগত প্রবাসীদের কারও যদি শরীরে তাপমাত্রা বেশি পাওয়া যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দর থেকে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’


সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল