করোনা যাচ্ছে বাড়ি ...

করোনা যাচ্ছে বাড়ি ...

 বিশেষ সংবাদদাতা
  ২০২০-০৩-২৪: ০২:৫১ পিএম

করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে টানা ১০ দিনের ছুটি পেযে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই সপরিবার বাড়ির পথে ছুটতে শুরু করেছে মানুষ। সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসছে, এরকম গুঞ্জনে নগরবাসীর প্রস্তুতি ছিল আগেই। বিকেলে গণমাধ্যমে ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গেই কমলাপুর, বিমানবন্দর রেলস্টেশনসহ রাজধানীর সবকটি বাস টার্মিনাল ও সদরঘাটে বাড়ি হাজারো মানুষের ভিড় লেগে যায়।

এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে তাতে হিতে বিপরীত হওয়ার আশংকা করছেন অনেকে। সারাদেশে ছড়িয়ে পরতে পারে করোনাভাইরাস। 

সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যার পর উপচানো জনস্রোত রূপ নেয় ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার ভিড়ে। বাস কাউন্টারে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে টিকেটের অপেক্ষায় দাঁড়ায় হাজার মানুষ । অগ্রিম প্রস্তুতি না থাকায় যাত্রীদের চাপে হিম সিম খেতে হচ্ছে রেলওয়েকে। দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়ার পর ট্রেনগুলোও ছাদেও অনেককে উঠে পড়তে দেখা যায়। একই অবস্থা ছিল লঞ্চ টার্মিনালেও। করোনা পরিস্থিতিতে গত কয়েকদিন লঞ্চগুলো যাত্রী না পেলেও এদিন কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গন্তব্যের পথে ছুটে। হঠাৎ পাওয়া ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির পানে ছোটা মানুষদের মধ্যে কারও মধ্যেই চোখে পড়েনি স্বাস্থ্য সচেতনতা। অনেকের মুখ নানারকম মাস্কে ঢাকা থাকলেও তাদেরকে ভিড়ের সঙ্গে গা মিলিয়ে ছুটতে দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) নগরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা দেখা গেছে, করোনা আতঙ্কে গণপরিবহন শূন্য হয়ে পড়েছে রাস্তাঘাট। সাধারণ ছুটি পেয়ে এখনো বটতলি রেলওয়ে স্টেশন এবং বাস টার্মিনালের দিকে মানুষ ছুটছেন বেশি। যাদের প্রায় সবার গন্তব্য গ্রামের বাড়ি। এক্ষেত্রে ভিড় আর গণপরিবহনের ঠাসা অবস্থা থেকে করোনা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশংকা সংশ্লিষ্টদের।

বাস কাউন্টার, রেল স্টেশন ও লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের বেশ চাপ দেখা গেছে। ট্রেনে গাদাগাদি করে উঠছে মানুষ। এতে করোনাভাইরাস আরও ছড়ানোর শঙ্কা করছেন কেউ কেউ। তারা বলছেন ট্রেনের টিকিট ক্রয় থেকে শুরু করে গ্রামে ফেরা পর্যন্ত অনেক লোকের সংস্পর্শে আসতে হচ্ছে যাত্রীদের। যা করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

 


সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল