'জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চ্যালেঞ্জিং, জুনে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি'

'জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চ্যালেঞ্জিং, জুনে দেখা যাবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি'

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০২০-০৯-১২: ০৭:৫১ পিএম

চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএর নেয়া প্রকল্পকে একটি চ্যালেঞ্জিং প্রকল্প অভিহিত করে আগামী জুনে এই প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন,  প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনসট্রাকশন বিগ্রেডের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল আবুল হাসনাত মো. সায়েম।  

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ প্রথমবার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনসট্রাকশন বিগ্রেডের পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসব কথা জানান। 

এই প্রকল্পের নানা বিষয় তুলে ধরে কর্নেল আবুল হাসনাত মো. সায়েম বলেন, এই প্রকল্পের অধীন ২৪০ কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে। ১৭৬ কিলোমিটার রিটার্ণিং ওয়ালের কাজ চলছে। ৫৫ কিলোমিটারের কাজ এরি মধ্যে শেষ হয়েছে। ৫৪টি ব্রিজ ও কালভার্ট আছে, এর মধ্যে ৩৪টি ব্রিজ-কালভার্টের কাজ শেষের দিকে। 

কর্ণেল সায়েম বলেন, এই প্রকল্পে কর্ণফুলী নদীর সাথে খালে ৫টি রেগুলেটর আছে, যার সিংহভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, 'আগামী জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারীর মধ্যে সম্পন্ন করতে পারবো। এই রেগুলেটরগুলোর কাজ যখন সম্পন্ন হয়ে যাবে, জোয়ারের কারণে যে জলাবদ্ধতা হয় তা বন্ধ হয়ে যাবে।' 

তিনি বলেন, 'এ বছর আপনারা লক্ষ্য করেছেন, কোন জায়গায় পানি জমে ছিলনা, জলাবদ্ধতা হয়নি। জলাবদ্ধতা হয়েছে শুধু জোয়ারের কারণে। কর্নেল আবুল হাসনাত মো. সায়েম এই প্রকল্পকে আবারো চ্যালেঞ্জিং প্রকল্প উল্লেখ করে বলেন, এই প্রকল্পে ৩হাজার ১৫০টির মতো স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হয়েছে। যার মধ্যে বহুতল ভবনও ছিল। এখনও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হচ্ছে। এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।'

তিনি বলেন, 'দ্বিতীয়ত হচ্ছে- এসব এলাকায় অনেকগুলো ইউটিলিটি লাইন ছিল যেগুলোকে স্থানান্তর করতে হয়েছে। যা বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয় করে আমাদেরকে করতে হয়।' তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও দ্রুততা ও দক্ষতার সাথে আমরা কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। পুর্নোদ্দমে কাজ চলছে জানিয়ে সেনা কর্মকর্তা সায়েম বলেন, আপনারা আগামী বছর জুনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে পাবেন। এ জন্য তিনি খাল-ড্রেনে বর্জ্য না ফেলায় জনসচেতনতা সৃস্টিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, যেন পরিস্কার করা খাল নালা বর্জ্যের কারণে আগের অবস্থায় ফিরে না আসে।

এ সময় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খানসহ সংস্থাটির উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।


নিউজটি শেয়ার করুন

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল