গ্রেপ্তারের পরই ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চায় মহিলা আওয়ামী লীগ

গ্রেপ্তারের পরই ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চায় মহিলা আওয়ামী লীগ

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০২০-১০-১৩: ০৭:১৪ পিএম

ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজা জারি করা অধ্যাদেশে সাজা কার‌্যকরে ১৮০ দিনের যে বাধ্যবাধকতার বিষয়ে বলা হয়েছে তা মানতে না রাজি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।

তারা বলছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে অধ্যাদেশ জারি করায় তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। কিন্তু ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড কার‌্যকরে ১৮০ দিনের যে অপেক্ষা সেটি তারা মানতে না রাজি নন। তারা চার ধর্ষক গ্রেফতাররের পরপরই তার সাঁজা কার‌্যকর হতে হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের নগর শাখার সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, ‘আজ এখানে আমরা নারী ও শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদ জানাতে সমবেত হয়েছি। আমরা আজ এর প্রতিবাদ করতে এসে পেয়ে গেছি এর বিচার। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্ণামেন্টে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আইন জারি করিয়েছেন, ‘ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড’। আমরা জানতে পেরেছি এই মৃত্যুদণ্ড কার‌্যকর হতে ১৮০ দিন সময় লাগবে। ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের জন্য আমরা ১৮০ দিন অপেক্ষা করা মানিনা, আমরা চাই ধর্ষক যখনই ধরা পরবে তথনই তার মৃত্যুদণ্ড কার‌্যকর করতে হবে।’

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ধর্ষণকারী কোনো মায়ের সন্তান নয়, সে জারজ সন্তান। তার কোনো অভিভাবক নাই, সে নারীদের মোয়ের চোখে দেখে না। নারীদেরকে বোনের চোখে দেখে না। তাদের চোখ কোনো ভালো মানুষের সন্তানের চোখ নয়। তাই কোনো ধর্ষককে আমরার রাজনৈতিক ভাবে জায়গা দিতে পারি না।  আমরা তাঁকে সামাজিক ভাবে বর্জন করেছি।’

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক নীলু নাগের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর শাখার সহ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মমতাজ খান , দপ্তর সম্পাদক হাসিনা আক্তার টুনু, আইন বিষয়ক সম্পাদক রোকসানা আক্তার প্রমুখ।


নিউজটি শেয়ার করুন

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল