কালুরঘাটে নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান

কালুরঘাটে নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০২০-১১-২০: ০৭:১০ পিএম

নগরীর চান্দগাঁও থানার মোহরার পুরাতন কালুরঘাট এলাকায় একটি নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) সকালে ওই এলাকার  বেলালের বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় গড়ে উঠা নকল ওষুধ কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এ সময় নকল ওষুধ তৈরির নানা সরঞ্জামের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ জব্দ করা হয়। পরে নকল ওষুধগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মোহাম্মদ মাহমুদুল হক (৪৫) নামে একজন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

নগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক হাসান ইমান বলেন, ফ্ল্যাটটিতে হোসেন নামের একজন নকল ওষুধ তৈরির কারখানা স্থাপন করে। তবে সেখানে কি হচ্ছিল তা স্থানীয় বাসিন্দারা কখনো টেরও পেতেন না। সব সময় দরজা বন্ধ করেই নকল ওষুধ তৈরি করতো। গত দুই বছর ধরে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো। একই ধরনের ওষুধ ভিন্ন ভিন্ন নামে বাজারজাতও করে আসছে চক্রটি।

হাসান ইমান বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানীর নাম ব্যবহার করে নকল ওষুধ তৈরি করে বেশি দামে বাজারজাত করে আসছে। এমনকি তারা নিজস্ব কেমিস্ট নিয়োগ করে নিম্নমানের কেমিক্যাল দিয়ে ওষুধ তৈরি করে বিভিন্ন ফার্মেসিতে সরবরাহ করত। বিভিন্ন কেমিক্যাল দিয়ে তারা Kho Max, Excitement, Monfedin, Max-Life, Home Cap, k-xin, Gross-up, KZ bio bar নামে ওষুধগুলো তৈরি করতো। বাংলাদেশ যৌন উত্তেজক ওষুধের চাহিদা বেশি থাকায় তারা বিদেশি বিভিন্ন ওষুধের নাম ব্যবহার করে অধিক দামে তাদের পরিচিত ফার্মেসিতে বিক্রয় করে আসছে। অভিযানের সময় তারা বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এজন্য অবৈধ কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভেজাল ওষুধ তৈরি চক্রের পলাতক মাহমুদুল হককে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।


নিউজটি শেয়ার করুন

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল