নগরবাসীর প্রত্যাশার চাপে চসিক প্রশাসক

নগরবাসীর প্রত্যাশার চাপে চসিক প্রশাসক

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০২০-১১-২৩: ০৭:৫২ পিএম

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের কাছে নগরবাসীর চাপ রেড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে গত মার্চে চসিকের নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয় তাঁকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে তিনি কর্পোরেশন অফিসের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি নাগরিকসেবা নির্বিঘ্ন করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণে নগরীর অধিবাসীদের তাঁর কাছে চাওয়া-পাওয়া বাড়ছে। 

সোমবার (২৩ নভেম্বর) সকালে কর্পোরেশনের আন্দরকিল্লা পুরনো নগরভবনে প্রশাসক দপ্তরে গণ সাক্ষাতকার অনুষ্ঠানে এই দৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। 
সাক্ষাতপ্রার্থীদের মধ্যে ছিল চসিকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, মহল্লা কমিটির নেতৃবৃন্দ, কো-অপারেটিভ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ও সাহায্যপ্রার্থী গরীব অসহায় দুঃস্থ জনসাধারণ।  

নগরবাসীকে স্বাক্ষাত প্রদানকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক সুজন বলেন, আমি সীমিত সময়ের মধ্যে চেষ্টা করছি কর্পোরেশনের অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের টাকা অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী কিস্তিতে পরিশোধের। ঠিকাদারদের বকেয়াও আছে। সব দেনা এক সাথে দিতে গেলে কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে না। এখন আবার করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ এর ধাক্কা। সব মিলিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। তারপরও নগরবাসীর ভালোবাসাকে বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন মানবিক শহরে পরিণত করতে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। 

সাক্ষাতপ্রার্থীদের মধ্যে শুলকবহর মহল্লা সমাজ কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসকের সহযোগীতা কামনা করেন। মহল্লা সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের ওয়ার্ডের ডেকোরেশন গলি থেকে শুরু হওয়া খালটি অবৈধ দখলের কারণে প্রস্থে ৮ ফুট থেকে ৩ ফুটে নেমে এসেছে বলে প্রশাসককে অবহিত করলে, তিনি তাৎক্ষণিক তা ব্যবস্থা নিতে মুঠোফোনের মাধ্যমে কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন ও প্রকৌশল বিভাগের ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। 

এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, শুলকবহর মহল্লার উপদেষ্টা শাহজাহান সুফি, এস এম হাশেম, মো. শাহজাহান, মো. ইলিয়াছ, আকতার ফারুক, মো. সরওয়ার উদ্দীন, মো. আইয়ুব, মো. রেজা সুজা, গিয়াস উদ্দিন, সরওয়ার্দী প্রমুখ। 
এ সময় ইসলামাবাদ কো-অপারেটিভ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ তাদের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙতে প্রশাসককে অনুরোধ করলে তিনি তা নিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন। 
 


নিউজটি শেয়ার করুন

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল