কাউন্সিলর প্রার্থী কাদেরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

কাউন্সিলর প্রার্থী কাদেরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

 নিজস্ব প্রতিবেদক
  ২০২১-০১-১৩: ০১:০২ পিএম

নগরীতে নির্বাচনি সংঘাতে একজন নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এতে আটক হওয়া কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদেরকে মূল অভিযুক্ত করে মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) রাতে নিহত আজগর আলী বাবুলের ছেলে সিজান মোহাম্মদ সেতু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন

নগর পুলিশের ডবলমুরিং জোনের সহকারী কমিশনার শ্রীমা চাকমা সারাবাংলাকে বলেন, ‘আবদুল কাদেরসহ ১৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ডিবি মামলাটি তদন্ত করবে।’

জানতে চাইলে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (ডিবি-পশ্চিম) মনজুর মোরশেদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘ডিবিকে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। ডিবি পরিদর্শক শাহাদাত মামলা তদন্ত করবেন।’

এর আগে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নগরীর মগপুকুর পাড় এলাকায় পাঠানটুলি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর ও বিদ্রোহী আবদুল কাদেরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আজগর আলী বাবুল (৫৫) নামে একজন মারা যান। এছাড়া মাহবুব নামে গুলিবিদ্ধ এক যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নজরুল ইসলাম বাহাদুর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং পাঠানটুলি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী।

২০১০ সালে তিনি ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী আবদুল কাদেরের কাছে তিনি পরাজিত হন। এবার আবদুল কাদের দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। নিহত আজগর আলী বাবুল ও আহত মাহবুব উভয়ই বাহাদুরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

সংঘর্ষ শুরুর পর আবদুল কাদের ও তার কয়েকজন অনুসারী মগপুকুর পাড়ে তাহের ভবনের দোতলায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ডবলমুরিং থানা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশ যৌথভাবে ভবনটি ঘিরে কাদেরসহ তার অনুসারীদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেখান থেকে আবদুল কাদেরসহ ২৬ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।


নিউজটি শেয়ার করুন

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল